অপ্রতিরোধ্য ইয়াবার স্রোত,এখনই কি ঘুরে দাঁড়ানোর সময়?

ইয়াবা:কোটিপতি হওয়ার শর্টকাট, প্রজন্ম ধ্বংসের মহাসড়ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৩৫ , আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৫

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


আবু মোরশেদ চৌধুরী:
রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে কেউ কেউ যখন আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠছে, তখন নীরবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম। ইয়াবার অপ্রতিরোধ্য স্রোত এখন আর কেবল একটি মাদক বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়। এটি ক্রমেই আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, জননিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি জাতীয় সংকটে পরিণত হচ্ছে।
দ্রুত অর্থবান হওয়ার লোভে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ,যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ, এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যও এই ইয়াবা চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। ইয়াবা বহন ও পাচারের ক্ষেত্রেও তারা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। ফলে এই অবৈধ বাণিজ্যের নেটওয়ার্ক দিন দিন আরও বিস্তৃত ও ভয়ংকর হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে কক্সবাজার ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ২০২৬ সালে এসে মনে হচ্ছে, মাদকের এই স্রোত নতুন মাত্রা পেয়েছে। সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থার পরিবর্তন মাদক পাচারের ওপরও প্রভাব ফেলছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বড় একটি অংশ আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য পাচারের বিনিময়ে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। অর্থাৎ নগদ অর্থের পাশাপাশি মাদক নিজেই এখন এক ধরনের ‘নারকো-কারেন্সি’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি অত্যন্ত ভয়ংকর একটি পরিবর্তন।
বাংলাদেশ থেকে নির্মাণসামগ্রী, খাদ্য, জ্বালানি কিংবা অন্যান্য পণ্য অবৈধ পথে পাচার হয়ে সীমান্তের ওপারে যাচ্ছে আর তার বিনিময়ে দেশে ঢুকছে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক। ফলে মাদক ব্যবসা আর বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ হিসেবে থাকছে না,এটি ধীরে ধীরে একটি আন্তঃসীমান্ত অবৈধ অর্থনীতির অংশ হয়ে উঠছে।
উদ্ধারের পরিমাণই যখন এত বেশি, বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের খবর আমরা দেখি। ২০২৫ সালে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৪ কোটি ৩৫ লাখের বেশি ইয়াবা ও অ্যামফেটামিন-টাইপ স্টিমুল্যান্ট ট্যাবলেট ইয়াবা জব্দ করেছিল, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৯১ শতাংশ বেশি।
২০২৬ সালেও সীমান্তবর্তী এলাকায় বড় বড় চালান আটকের ঘটনা ঘটছে। এপ্রিল মাসে কক্সবাজার সীমান্তে একদিনে ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৪০০টি ইয়াবা উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। আগস্ট ২০২৬ বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পাশাপাশি অস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়।
আবার, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ কক্সবাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসাথে ১৪ লাখ পিস ইয়াবার চালান জব্দ করে। একবার ভেবে দেখুন,কতটা আত্মবিশ্বাস, কতটা সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক এবং কতটা আর্থিক সক্ষমতা থাকলে একটি চক্র এত বড় মাদকের চালান বাংলাদেশে ঢোকানোর মতো দুঃসাহস দেখাতে পারে! এর পেছনে যে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক রয়েছে, তা এখন গভীরভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি।
সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত, ২০০৯ সালে প্রতি মাসে গড়ে যেখানে ১১ হাজার ২২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছিল, সেখানে চলতি বছরে মাসে গড়ে উদ্ধার হয়েছে ৪০ লাখ ২৯ হাজার ২৩৬ পিসেরও বেশি।
তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, যদি এগুলো শুধু উদ্ধার হওয়া চালানের হিসাব হয়, তাহলে যে পরিমাণ মাদক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে, তার পরিমাণ কত? আর এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অবৈধ অর্থের পরিমাণই বা কত হাজার কোটি টাকা?
এটি শুধু মাদকের সমস্যা নয়।আমরা কি এখনও ইয়াবা সমস্যাকে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমস্যা হিসেবে দেখব? আমার মনে হয়, আর সেই সুযোগ নেই।
এটি এখন একটি জাতীয় সামাজিক সংকট। মাদক একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে, কিন্তু তার অভিঘাত থেমে থাকে না সেই ব্যক্তির মধ্যে। একটি পরিবার ভেঙে পড়ে, সন্তান বিপথে যায়, সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট হয় এবং অপরাধপ্রবণতা বাড়ে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে সহিংসতা, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, অস্ত্রের ব্যবহার এবং অন্যান্য অপরাধের যোগসূত্র নিয়েও উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।
আরেকটি ভয়ংকর দিক হলো,মাদক ব্যবসা কিছু মানুষকে অস্বাভাবিক দ্রুত সম্পদশালী করে তুলছে। কয়েক বছরের মধ্যে আলিশান বাড়ি, দামি গাড়ি, বিপুল সম্পদ কিন্তু সেই সম্পদের বৈধ উৎস কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। কারণ মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু ইয়াবার চালান আটকানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না।মাদকের অর্থনৈতিক ভিত্তিও ভেঙে দিতে হবে।
দায় শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নয়। মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই কি শুধু পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড কিংবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব? নিশ্চয়ই নয়। সচেতন নাগরিক সমাজ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় নেতা সবারই দায়িত্ব রয়েছে।
কিন্তু এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আছে,নাগরিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপদ পরিবেশ কি পাচ্ছেন? বাস্তবতা হলো, মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রে অর্থ ও প্রভাবের কারণে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। ফলে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে সাধারণ মানুষ কখনো হুমকি, কখনো সামাজিক চাপ, আবার কখনো আরও গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েন।তাই নাগরিকদের শুধু দায়িত্বের কথা বললে হবে না। তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য রাষ্ট্রকে নিরাপদ পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে।
শুধু সচেতনতামূলক সভা দিয়ে হবে না। মাদকবিরোধী সচেতনতা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু শুধু পাড়া-মহল্লায় সভা-সমাবেশ করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কখনো কখনো এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়, যেখানে সচেতনতা সভার সামনের সারিতেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বসে বক্তৃতা দেন!
তাই এখন প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক, সমন্বিত এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। আমি জেলার আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সভায় এ ধরনের সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার কথা একাধিকবার বলেছি। কারণ পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, শুধু মাদকসেবী বা বাহককে আটক করে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। মাদকের উৎস, সরবরাহব্যবস্থা, অর্থের উৎস এবং মূল পৃষ্ঠপোষকদেরও চিহ্নিত করতে হবে।
এখন কী করা যেতে পারে? এই ক্ষেত্রে আমার অভিমত হচ্ছে:
প্রথমত, প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে উপজেলাভিত্তিক বিশেষ পাইলট প্রকল্পের আওতায় অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, যারা অল্প সময়ে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়েছেন, তাদের সম্পদের উৎস আইনানুগভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। আয় ও সম্পদের মধ্যে অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অবৈধ সম্পদ শনাক্ত ও জব্দ করার ক্ষেত্রে আর্থিক গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা জরুরি।
তৃতীয়ত, শুধু বাহক নয়,পুরো মাদক সরবরাহ চেইন ভেঙে দিতে হবে। বাহকের পেছনে থাকা সরবরাহকারী, অর্থদাতা, পরিবেশক এবং মূল হোতাদের শনাক্ত করতে হবে। তদন্তকে আরও পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে।
চতুর্থত, মাদক মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুততর করার পাশাপাশি সাক্ষী ও তথ্যদাতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে প্রচলিত আইন আরও কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
পঞ্চমত, সীমান্তের ওপারে থাকা উৎপাদন ও পাচার নেটওয়ার্ক মোকাবিলায় মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতাও নেওয়া প্রয়োজন।
নাগরিক তথ্য নেটওয়ার্ক হতে পারে নতুন হাতিয়ার,আমাদের প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েও ভাবতে হবে।
নেপালসহ বিভিন্ন দেশে মানব পাচার ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের উদ্যোগ রয়েছে। আমাদের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এমন একটি নিরাপদ, গোপনীয় ও জবাবদিহিমূলক নাগরিক তথ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যেতে পারে। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, বাসচালক, নৌযানচালক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সন্দেহজনক গতিবিধি সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দেওয়ার একটি নিরাপদ ব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে।
তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে,এ ধরনের ব্যবস্থায় যেন ব্যক্তিগত শত্রুতা, গুজব বা মিথ্যা অভিযোগের সুযোগ তৈরি না হয়। তথ্য যাচাই ও আইনগত সুরক্ষা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।পাশাপাশি স্কুল কলেজে শিক্ষকদের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করা যেতে পারে।
এখনই ঘুরে দাঁড়াতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির লড়াই নয়। এটি আমাদের পরিবার, সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষার লড়াই। আমাদের মনে রাখতে হবে,মাদকাসক্ত একজন তরুণ শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, সে আমাদের ভবিষ্যৎ মানবসম্পদের ক্ষতি।
আজ যারা ইয়াবার ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তাদের অর্থনৈতিক শক্তি যদি আমরা ভাঙতে না পারি, তাহলে শুধু মাদক উদ্ধার করে এই যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়।
তাই এখন আর শুধু প্রতিবাদ, সভা কিংবা বক্তৃতার সময় নয়। এখন প্রয়োজন প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে একটি স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা।

আমরা যদি এখনই ঘুরে না দাঁড়াই, তাহলে ইয়াবার এই স্রোত একসময় এমন সামাজিক ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে, যার চিকিৎসা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রতিনিয়ত ইয়াবা জব্দ হওয়ার খবর শুনতে শুনতে একসময় হয়তো এই ভয়াবহতাও আমাদের কাছে স্বাভাবিক ও নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়াবে। তখন ইয়াবার বিস্তার নিয়ে প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে যেতে পারে, ভোঁতা হয়ে যেতে পারে আমাদের সামাজিক বিবেক। প্রজন্মকে রক্ষার যে তাগিদ আজ অনুভব করছি, কাল হয়তো সেটিও আর অনুভূত হবে না। আর সবচেয়ে ভয়ংকর পরিণতি হবে যখন আমাদের চোখের সামনে একটি প্রজন্ম ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে, তখন তাদের রক্ষায় দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর মতো মানুষও হয়তো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন মাদক ব্যবসায়ীরা তখন সমাজে নেতৃত্ব দিবে!
তাই রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার এই অবৈধ স্বপ্নের বিপরীতে আমাদের এখন একটি বড় সামাজিক স্বপ্ন দেখতে হবে। একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সুস্থ প্রজন্মের স্বপ্ন। প্রশ্ন শুধু ইয়াবা কতটা আটকানো গেল তা নয়।
প্রশ্ন হলো, আমরা কি আমাদের আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে পারলাম?